৬টি ভুল আজই ত্যাগ না করলে মারাত্নক বিপদ

আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট এমন অনেক কাজ আছে যা করতেছে একটু অসাবধানতা কারণে মারাত্মক ভুল করে বসি আর এই ছোট ছোট ভুলের কারণে পড়তে হয় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।

আবার অনেক সময় না জেনে এমন কিছু অভ্যাস বিরক্ত করে ফেলি যেগুলোকে আমরা নিতান্তই ছোট মনে করি। কিন্তু সেগুলো আমাদের অনেক বড় ক্ষতি করে বসে সুতরাং আজকের এই প্রতিবেদনে এমনই ৬টি বদ অভ্যাস সম্পর্কে আপনাদের বলব যা মেনে চললে আপনার জীবনে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন চলে আসবে তো জেনে নিন আর নিজের জীবনে পরিবর্তন নিয়ে আসুন।

 

 

১. কটনের বালিশের কভার

কটনের বালিশের কভার ব্যবহার করা আপনার উপর একটি মারাত্মক প্রভাব ফেলে। আপনি যদি প্রতিদিন সুতির কাপড়ের বালিশের কভার ব্যবহার করেন তবে এটি আপনার স্কিন ধীরে ধীরে মলিন করে ফেলবে ফলে আপনি দ্রুত বৃদ্ধ হতে থাকবেন।

এর কারণ এটি আপনার স্কিনকে শুষ্ক করে তোলে এছাড়াও এটি আপনার চুল কেউ ক্ষতিগ্রস্থ করে এর থেকে বাঁচার জন্য সিল্কের তৈরি বালিশের কভার ব্যবহার করতে পারেন সিল্কের কাপড় এর কভার আপনার ত্বককে ফ্রেশ এবং স্বাস্থ্যকর রাখবে।

 

 

২. দাঁত দিয়ে নখ কাটা

দাঁত দিয়ে নখ কাটা টিনেজার এমনকি প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে দাঁত দিয়ে নখ কাটা একটি কমন বদভ্যাস। কিন্তু কেন এটি আমরা করে থাকি মাঝে মাঝে স্ট্রেস কমাতে বা আবার মাঝে মাঝে নিতান্তই নিজের অজান্তে করে থাকি।

আপনি যদি এদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন তবে একটু মনোযোগ দিয়ে পরুন এটি করার মাধ্যমে একদিকে যেমন আপনি আপনার নখের সৌন্দর্য নষ্ট করছেন অন্যদিকে আপনার নখ প্রচুর ব্যাকটেরিয়া ধারণ করে রাখে। যা আপনার মুখের সাহায্যে আপনার অভ্যন্তরে প্রবেশ করছে আর এর ফলে আপনি পরতে পারেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে।

 

৩. ব্রাশ পরিবর্তন না করা

আপনি হয়তো ভাবছেন প্রতিদিন ব্রাশ করার ফলে আপনার দাঁতকে জীবাণুমুক্ত রাখছেন কিন্তু আপনার যদি ব্রাশ অনেক পুরাতন হয়ে থাকে তবে আপনার দাঁত আরো জীবাণুযুক্ত হচ্ছে কারণ আপনার ব্রাশ প্রতিদিন কিছু না কিছু ব্যাকটেরিয়া স্টোর করে রাখে। আর ধীরে ধীরে এর পরিমান বাড়তে থাকে।

গবেষণায় উঠে এসেছে প্রতি দুই থেকে তিন মাসে আপনার টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে তাদের ক্ষতি ছাড়াও অনেক ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বেড়ে যায়।

 

 

৪. নিয়মিত ব্রাশ না করা

দাঁতের যত্নে সময় আমরা অনেক ভুল করে থাকি আপনি প্রতিদিন দুইবার ব্রাশ করে ও যদি সঠিক নিয়মে ব্রাশ না করেন তবে আপনি আপনার দাঁতের সব ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে পারলেন না।

আর দাঁতের সমস্যার জন্য আপনার হার্টের সমস্যা হতে পারে। ডেন্টিস্টরা পরামর্শ দেয় চার দিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ব্রাশ করতে সামনের দিকে দাঁত আপ ডাউন করে ব্রাশ করবেন। এবং খেয়াল রাখবেন ভেতরে দিকে দাঁত ব্রাশ করা উচিত।

দাঁত ব্রাশ করা ছাড়াও ব্রাশ দিয়ে জিভ পরিষ্কার করতে ভুলবেন না কারণ জিম্বায় ব্যাকটেরিয়া ধরে রাখে।

 

 

৫. কটনবাট দিয়ে কান পরিষ্কার করা

 

কটনবাট দিয়ে কান পরিষ্কার করা। প্রশ্ন আসতে পারে কটনবাট কান পরিষ্কার করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে আর এটা দিয়ে তো সব থেকে ভালো ভাবে পরিষ্কার করা যায়।

 

এটা সত্যি হলেও এটি কে ডাক্তাররা এড়িয়ে চলতে বলেছেন এর কারণেই কটনবাট ভেতরে প্রবেশ করালে এটি আপনার কানের ময়লা আর ভেতরের দিকে আটকে দিতে থাকে।

এটিই কানের পর্দার মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে এর ফলে আপনার কানের জটিল সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। এর বদলে অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন গবেষণা এসেছে দুই থেকে তিন ফোঁটা অলিভ অয়েল কানে প্রবেশ করালে কানের ভেতরে থাকা সকল ময়লা নরম করে একা একাই বের করে দেয় এটি খুব নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর একটি প্রক্রিয়া।

 

৬. পায়ের নোখ কাটা

পায়ের নোখ বেশি পরিমাণে কাটা আপনি যদি মনে করেন পায়ের নখে ব্যথা হচ্ছে তাহলে আপনি খুব সম্ভবত এগুলোকে বেশি পরিমাণে ছোট করেছিলেন ।

আপনি যখন এটি কে ছোট করে কাটবেন তখন হাটার সময় আঙুলে প্রেসার পড়ে এবং এটি চামড়া ছিদ্র করে বড় হতে থাকবে বলে আঙ্গুলে প্রচুর ব্যাথা হতে পারে। এছাড়াও রাউন্ড করে কাটার ফলে এটি আঙ্গুলের কোনায় ঢুকে যেতে পারে।