অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে ২০২২

আপনার যদি ইচ্ছা শক্তি এবং ধৈর্য এবং মনোযোগ থাকে, তাহলে আপনার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে প্রতি মাসে ১৫০০০ থেকে ২০০০০ টাকা বা তার চেয়ে বেশি ও ইনকাম করতে পারেন। এটা নির্ভর করে আপনার পরিশ্রম আর ডেডিকেশন এর উপর। আপনারা তো অবশ্যই জানেন পরিশ্রম ছাড়া কোন কিছু সম্ভব না পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি যে যত পরিশ্রমই সে তত বেশি উন্নত।  আপনি পরিশ্রম বেশী করলে আপনার ইনকাম এর পরিমাণ ততবেশি বাড়তে থাকবে।

মোবাইল দিয়ে ইনকাম করতে গেলে মোবাইল ফোনে ইনকামের বেশ কিছু উপায় আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় আর সহজ উপায়গুলো আপনাদের সাথে আলোচনা করব বিস্তারিত?

১. মোবাইল ফটোগ্রাফ বিক্রি

 

বর্তমানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রায় সবাই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন পার্ক বা বিভিন্ন সমুদ্রে ইত্যাদি নানা প্রয়োজনে কিংবা শখের বশে ছবি তুলে থাকে। আপনি যদি হয়ে থাকেন একজন শখের মোবাইল ফটোগ্রাফার, তাহলে আপনার সামান্য একটু পরিশ্রম আপনার শখ কে টাকা ইনকাম এর মাধ্যমে পরিণত করতে পারে।

এখন আপনার মনে অনেক প্রশ্ন জাগতে পারে যে, আমি ছবিগুলা কোথায় বিক্রি করব? কোথায় বিক্রি করব কার কাছে বিক্রি করব কে ছবি কিনবে ইত্যাদি নানান প্রশ্ন। আমার মোবাইল ফটোগ্রাফি কে বা কিনবে? আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে মোবাইল ফটোগ্রাফ বিক্রির জন্য বেশকিছু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে। ওয়েবসাইটগুলো নিয়ে একটু পর আলোচনা করব তা আগে কিছু নিয়মকানুন আছে সেগুলো আপনারা ভালোভাবে জেনে নিন।

আর আপনার মোবাইল ফোন ফটোগ্রাফির ক্রেতা হবে তারা যাদের কম বাজেটের ছবি দরকার। ধরুন আপনার একটি ওয়েবসাইট আছে সেখানে বেশকিছু ফটোগ্রাফ দরকার। কিন্তু আপনি ফটোগ্রাফি তেমন ভাল বোঝেন না অথবা ফটোগ্রাফার ভাড়া করে ছবি তুলতে গেলে বাড়তি টাকা এবং পরিশ্রম দরকার। আপনি আপনার টাকা আর সময় বাঁচাতে কোন একটা ওয়েবসাইট থেকে ছবি কিনে ফেললেন। এভাবেই ওয়েবসাইটগুলোর ছবিগুলো বিক্রি হয়

এবার ছবি বিক্রির ওয়েবসাইটগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক। মোবাইল ফটোগ্রাফি বিক্রির জন্য বেশকিছু সাইট রয়েছে। যেমন:

  1. agora images
  2. foap
  3. snapwire
  4. clashot
  5. eyeem
  6. dreamstime

উপরোক্ত ওয়েবসাইটগুলোতে ছবি বিক্রি এবং টাকা উত্তোলনের জন্য কিছু শর্ত মেনে চলতে হয়।

 

 

 ২। ওয়েবসাইট দ্বারা অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে

মোবাইল ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে ইনকাম করা সম্ভব। তাই তবে মোবাইল ব্যবহার করে একটা ওয়েবসাইট কে ম্যানেজ করা একটু কঠিন, একটু চেষ্টা করলেই কিন্তু সম্ভব। আপনি মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইট বানিয়ে সেই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

আপনারা একটা ক্যাটাগরী/নিশ নির্বাচন করে ওয়েবসাইট তৈরি করে, এই ওয়েবসাইটকে গুগলে রেংক করে বা বিভিন্নভাবে ভিজিটর এনে ইনকাম করতে পারবেন।

আপনি সাধারনত ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স, অ্যাফিলিয়েটিং, স্পনসর্ড লিংক ব্যবহার করে আয় মোবাইল দিয়ে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে আয় করতে পারবেন।

 

 

৩। ফেসবুক পেইজ

 

ফেসবুক বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ ও ভাইরাল মাধ্যমগুলোর একটি। ফেসবুক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি বিনোদন এবং তথ্য শেয়ারের মাধ্যমে হিসেবেও ভূমিকা রাখছে।

আপনার আশেপাশে সবাই যখন ফেসবুকে সময় নষ্ট করছে, তাই আপনি ফেসবুক পেজ থেকে অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন। ফেসবুক থেকে ইনকাম করতে গেলে আপনাকে যেগুলো কাজ করতে হবে, ফেসবুক পেজ থেকে ইনকাম এর জন্য অবশ্যই আপনার পেইজের ফলোয়ারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায় এমন কনটেন্ট আপলোড করতে হবে।

আর ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন পেতে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। যেমন:

ফেসবুক পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ১০,০০০ হাজারের বেশি হতে হবে।

পেইজটির ভিডিও গুলোতে গত ৬০ দিনে কমপক্ষে ৩০,০০০ ভিউ থাকতে হবে। ভিডিওগুলোর দৈর্ঘ্য তিন মিনিটের বেশি হতে হবে এবং কমপক্ষে ১ মিনিট ধরে দেখতে হবে।

 

ফেসবুক থেকে ইনকাম এর বেশ কয়েকটি মডেল রয়েছে। যেমন :

 

বর্তমানে দিন দিন ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে, এতে করে আপনার ইনকাম এর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন ফেসবুক থেকে ইনকাম ইউটিউব এর ইনকাম এর তুলনায় কিছুটা কম। তবে আমার ধারণা কিছুদিনের মধ্যে পার্থক্য কমে যাবে।

ফেসবুক থেকে ইনকাম এর জন্য ইউটিউব এর মত বেশকিছু স্ট্যান্ডার্ড কন্ডিশন মেইনটেইন করতে হবে।

এছাড়াও, আপনারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফেসবুক পেজকে ব্যবসার মাধ্যম হিসেবে অনলাইনে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনি একটি ই-কমার্স সাইটের পরিবর্তে ফেসবুক পেজ ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে ঠিকঠাক ফেসবুক মার্কেটিং প্রয়োজন। আপনার ফেসবুক পেজকে চালানোর জন্য কোন কম্পিউটারের দরকার হবে না। মোবাইল ফোনে শুধুমাত্র পেজ ম্যানেজার অ্যাপটি ইন্সটল করে নিলেই হবে।

 

 

৪। ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে

 

আপনি কি অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই কথা। কেননা অনেকেই মনে করেন, যে মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব নয় কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করা বর্তমানে মোবাইলও সম্ভব।

বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং করে অনলাইনে ইনকাম একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। এই প্ল্যাটফর্মে মোবাইল ব্যবহার করেও অনলাইন থেকে ইনকাম করা সম্ভব। যদিও মোবাইলে বেশিরভাগই কাজ করা একটু কঠিন, কম্পিউটারের তুলনায়। তা একটু কষ্টকর হবে আপনাকে বানিয়ে নিতে হবেএ।

এখন আমাদের বর্তমানে মোবাইল দিয়ে কাজ করার মত ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইটে অনেক কাজ রয়েছে। যেগুলো আপনি মোবাইল দিয়ে করে অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।

আপনারা ফ্রিল্যান্সিং ওয়েবসাইট এ যে কাজগুলি মোবাইল দিয়ে আপনি করতে পারেন:

  • ট্রানসলেশন
  • কনটেন্ট রাইটিং
  • কনটেন্ট রি-রাইটিং
  • ব্লগ কমেন্টিং
  • ফোরাম পোস্টিং
  • ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
  • ট্রানস্ক্রিপশন
  • প্রুফরিডিং
  • প্রডাক্ট দেস্ক্রিপশন, ইত্যাদি।

নিচের দেওয়া ফ্রীলান্সিং ওয়েবসাইটগুলোতে মোবাইল দিয়ে করা সম্ভব অনলাইন কাজ খুজতে পারেন। বিস্তারিত জেনে নিন?

এখন বর্তমানে গুগলে খুজলে আপনি এমন আর ওয়েবসাইট পাবেন। যেগুলোতে মোবাইল দিয়ে কাজ করার মত অনলাইন কাজ আছে।

 

 

৫। ইউটিউব

বর্তমান বিশ্বে পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইউটিউবে প্রত্যেক মাসে লগইন সংখ্যা দুই বিলিয়ন। এই পরিসংখ্যান থেকে ইউটিউব এর মার্কেট সাইজ খুব ভালভাবেই অনুমান করা যায়। এখন ইউটিউব বর্তমানে টিভির বিকল্প হিসেবে দাঁড়িয়েছে, যেমন অনেকে আছে এখন আগের সেই মোটা টিভি  ইউজ করে না,এখন সবাই স্লিম এবং এলইডি এবং স্মার্ট টিভি ইউজ করছে, দেখা যায় সে ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ওয়াইফাই কানেক্ট দিয়ে তারা অ্যাপস এর মাধ্যমে টিভি দেখে এবং ইউটিউব এর ভিডিও দেখে

আপনি মোবাইল ফোনে দিয়ে ভিডিও করে, ইউটিউবে আপলোড করার মাধ্যমে মনিটাইজেশন মেথড ব্যবহার করে ইনকাম করতে পারবেন। ভিডিও এডিট করার দরকার হলে খুব সহজেই মোবাইল ফোনে ইউটিউব স্টুডিও ব্যবহার করে এডিট করে নিতে পারবেন। কনটেন্ট কোয়ালিটি ভালো থাকলে ইউটিউব চ্যানেল আপনার ক্যারিয়ার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।

আপনি হয়তো ভাবছেন যে ইউটিউবে আপলোড করার জন্য কোন ধরনের কনটেন্ট তৈরি করবেন। হ্যাঁ ঠিকই ভেবেছে,এই প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো উত্তর হল আপনি যে বিষয়ে আগ্রহী বা যে ধরনের কাজ করতে ভালো লাগে সেই ধরনের ভিডিও তৈরি করুন। যেমন, গেইমের লাইভ স্ট্রিমিং, ট্রাভেল ব্লগ, ফুড ব্লগ, রান্নাবান্না, আকা আকি, আপনি গাইতে পারেন, আপনি নাচতে পারেন, বা আপনি শর্ট ফিল্ম এবং শিক্ষামূলক ভিডিও ইত্যাদি তুই করতে পারেন।

এবার ইউটিউব থেকে ইনকাম করবেন কিভাবে এবিষয়ে এ আসা যাক। বর্তমানে  ইউটিউব থেকে বেশ কয়েকভাবে ইনকাম করা যায়। যেমন:

  • গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে
  • স্পন্সর অ্যাড ব্যবহার করে
  • এফিলিয়েট লিংক প্রমোট করে ইত্যাদি

ইউটিউব থেকে আপনার ভিডিও কনটেন্ট এর মাধ্যমে ইনকাম করতে হলে, আপনাকে কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো:

১। আপনার ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার গত এক বছরের ভিতরে অবশ্যই 1000 হতে হবে এবং ৪,০০০ ঘন্টা আপনার ভিডিও ইউটিউবে দেখতে হবে।

২। আপনার ইউটিউব ভিডিও অবশ্যই অ্যাডভার্টাইজমেন্ট ফ্রেন্ডলি হতে হবে। অর্থাৎ ইউটিউবের মনিটাইজেশন এর নিয়ম অনুযায়ী।

 

 

৬। অনলাইন টিউশন

 

এখন বর্তমানে সবচেয়ে ছাত্রাবস্থায় বাড়তি ইনকামের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে অনলাইন টিউশন। কিন্তু এমন যদি হয় যে আপনাকে নির্দিষ্ট কোন জায়গায় বা কোন শিক্ষার্থীর বাসায় গিয়ে পড়াতে হচ্ছে না তা আপনার কাছে কেমন মনে হয়। কিংবা আপনি ঘরে বসেই আপনার ছাত্রকে পড়াতে পারছেন। তাহলে তো অবশ্যই অনেক ভালো হয় বিস্তারিত জেনে নিন?

আপনার এই ইচ্ছার বাস্তবায়ন ঘটাতেই অনলাইন টিউশান ধারণাটির যাত্রা শুরু করুন। অনলাইন টিউশান করাতে আপনার বিশেষ কোনো ব্যবস্থা প্রয়োজন হবে না শুধু আপনার প্রয়োজন হবে আপনার মেধা শক্তি। শুধুমাত্র আপনার একটি মোবাইল ফোন এবং ভালো ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই চলবে। আপনি ওয়েবসাইট বা কোন অ্যাপের মাধ্যমে আপনার স্মার্টফোন মোবাইলের ক্যামেরা ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের পড়াতে পারবেন।

বর্তমানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইন টিউশন মডেলে যুক্ত হয়ে টিউশনে যাতায়াতের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

বাংলাদেশে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অনলাইন টিউশন দিনে দিনে আরও বেশি জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে । বাংলাদেশ অনলাইন টিউশন নিয়ে কাজ করছে এমন কিছু ওয়েবসাইট হলো:

  1. bdtutors.com
  2. deshtutor.com
  3. tutorsheba.com
  4. bdhometutor.com

 

৭। ই-কমার্স

 

এখন বর্তমানে মানুষের মধ্যে বাড়ছে ই-কমার্সের চাহিদা মানুষ মার্কেটে গিয়ে পণ্য কেনার চেয়ে অনলাইতে কেনা কাটা করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে।

তাই আমরা খেয়াল করলে দেখতে পাই, আশেপাশে বেড়ে উটছে অনেক ই-কমার্স ব্যবসা বাণিজ্য। বর্তমানে একটি ই-কমার্স বিজনেস তৈরির জন্য তেমন কিছু প্রয়োজন নেই শুধু একটি মোবাইল আর ফেইসবুক একাউন্ড থাকলেই হয়। আপনার ফেসবুক এর ভিজিটর একটু বেশি থাকতে হবে, ফেইসবুকে পেইজ খুলে আপনি সহজে আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারেন।

এছাড়াও Facebook shop নামক নতুন ফিচার রয়েছে সেখানেও আপনি আপনার পন্যের ডিটেইলস এবং ছবি দিয়ে পণ্য বিক্রি করতে পারেন। আর যত ই-কর্মাস বিজনেস রয়েছে তার প্রায়ই ফেইসবুক ভিত্তিক।

তাহলে আপনিও শুরু করে দিতে পারেন আজ থেকে আপনার ই-কর্মাস বিজনেস এবং মোবাইল দিয়ে আয় করতে পারেন ভালো অংকের টাকা।

 

৮। রিসেলিং

 

যদি আপনি ব্যবসা করতে খুব আগ্রহী হয়ে থাকেন কিন্তু আপনার কাছে যথেষ্ট ইনভেস্ট না থাকায় শুরু করতে পারছেন না।  তাহলে এটি আপনার জন্য। এখানে আপনাকে পণ্য আগে থেকে ক্রয় করে রাখতে হবে না। পন্য বিক্রির পরই আপনি পণ্য কিনে কাস্টমারকে পৌছে দিতে পারবেন।

এক্ষেত্রে ডেলিভারি দেওয়ার ক্ষেত্রেও কোন সমস্যা নেই যাদের কাছ থেকে পণ্য কিনবেন তারাই ডেলিভারির দায়িত্ব নিবেন।

মনে করুন একটি পণ্যের পাইকারি দাম ১৫ টাকা এবং ঐ পণ্য টা ২০ টাকায় বিক্রি করা যাবে। আপনি ঐ পণ্যের ছবি নিয়ে তার প্রচারণা শুরু করবেন এবং যদি পণ্য বিক্রি হয় তাহলে কাস্টমারের ঠিকানা নিয়ে রিসেলিং ওয়েবসাইটে দিবেন।

তারা আপনার কাস্টমারকে পৌছে দিয়ে টাকা নিয়ে পণ্যের ১৫ টাকা কেটে নিয়ে বাকি টাকা আপনাকে দিবে। এটিই হলো রিসেলিং বাংলাদেশে এমন বিখ্যাত রিসেলিং কোম্পানি হলো Shopup.com.

আপনি একটি ফেইসবুক পেইজ খুলে সহজে এসব পণ্য গুলো বিক্রি করতে পারেন।

 

৯। পুরাতন পণ্য বিক্রি

 

আমাদের এমন অনেক জিনিস থাকে এগুলো ব্যবহারের অযোগ্য, যেগুলো অনেক পুরানো অথবা আমাদের কাজে লাগে না। এসব জিনিস নিজের কাছে রেখে না দেওয়ার চেয়েও বিক্রি করে দেওয়াই উত্তম মনে করেন।

তার জন্য রয়েছে কিছু ওয়েবসাইট যেমন :- Bikroy.com সব থেকে বিখ্যাত পুরাতন পণ্য বিক্রির জন্য। খুব সহজেই আপনার পন্যের ছবি তুলে আপলোড করুন তাদের ওয়েবসাইটে তারপর সামনা সামনি দেখা করে বা কুরিয়ারের মাধ্যমে পণ্য পৌছে দিন ক্রেতার কাছে। এভাবেই খুব সহজেই পুরাতন পণ্য বিক্রি করে অনলাইন ইনকাম মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন।

 

১০। ক্রিপটো কারেন্সি ট্রেডিং

 

ক্রিপটো কারেন্সি বলতে বিটকয়েন, লাইট কয়েন ইত্যাদিকে বোঝায়।

বর্তমান বিশ্বে এগুলো খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সবার কাছে । যদি আপনি এই সম্পর্কে না জানেন তাহলে একটু সংক্ষেপে বলি।

এগুলো হলো ভার্চুয়াল কারেন্সি যেগুলো আপনি কখনো হাতে ধরতে পারবেন না কিন্তু এগুলো বিক্রি করে টাকা বা ডলার আপনি হাতে পাবেন। এসব ক্রিমপটোকারেন্সির দাম বাড়ে এবং কমে।

যদি আপনি আজকে কিছু ক্রিমপটোকারেন্সি কিনে রাখেন কাল বা পরশু এগুলোর দাম বেড়ে গেলে আপনি তা বিক্রি করে সহজে ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। এই সম্পূর্ন কাজ গুলো ক্রিপটোকারেন্সি কেনা থেকে বিক্রি পর্যন্ত সব কিছু ওয়েব সাইটের মাধ্যমে হয়ে থাকে।  যেগুলোর সাহায্যে আপনি খুব সহজে মোবাইল দিয়ে টাকা আয় করতে পারেন।

 

 

১২। microword সাইট থেকে আয়

 

এমন অনেক সাইট আছে যেখানে অনেক সহজ সহজ কাজের জন্য আপনাকে টাকা দেওয়া হবে যেমন :- কারো ছবি / পোস্ট শেয়ার, ইউটিউব ভিডিও দেখা, এপ ইনস্টল, সাইন আপ ইত্যাদি। আপনি এসব কাজ মোবাইল ব্যবহার করেও করতে পারবেন এবং ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। এমন কিছু সাইট হলো :-

  • picoworkers.com
  • rapidworkeds.com
  • microworkers.com

 

১৩। Webtalk থেকে আয়

 

Webtalk বেশ কিছু দিন আগে অপরিচিত থাকলেও বর্তমানে খুব জনপ্রিয় হচ্ছে। এটি হলো facebook এর মতোই আরেকটি সোসিয়াল মিডিয়া. কিন্তু এটি ফেইসবুকের চেয়ে একটু ভিন্ন এবং আলাদা।

বর্তমানে আমরা প্রতিদিন আমাদের অনেক সময় ফেইসবুকে ব্যয় করে থাকি। এবং আমরা যতক্ষণ ফেইসবুকে থাকি যত বেশি লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করি ফেইসবুক একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা আয় করে থাকে। ঠিক তেমনি আয় করে থাকে Webtalk।

কিন্তু Webtalk তাদের আয় করা টাকার ৫৫% আপনাকে দিবে। আপনি যতক্ষণ Webtalk এ থাকবেন যত বেশি লাইক কমেন্ট শেয়ার করবেন আপনার একাউন্টে কিছু পয়েন্ট যুক্ত হবে তারপর আপনি এই পয়েন্টকে ডলারে কনভার্ট করতে পরবেন।

আমরা যেই সময় Facebook এ ব্যয় করি সেই সময়টা যদি webtalk ব্যবহার করি তাহলে তা হতে আমাদের আয়ের একটি উৎস। এবং এটির মাধ্যমে আপনি মোবাইল দিয়েই আয় করতে পারবেন । কোন ঝামেলা ছাড়া, তাদের বর্তমান ওয়েবসাইট webtalk.co এবং ২০২১ সালের মধ্যে তাদের মোবাইল অ্যাপস বের হবে ফেইসবুকের মতো। এখানে আপনি আপনার আয় করা অর্থ সহজেই payoneer দিয়ে ব্যাংক একাউন্টে নিতে পারবেন।

 

১৪। PTC থেকে আয়

 

PTC এর পূর্ণরূপ হলো Pay to Click. এমন কিছু ওয়েবসাইট আছে যারা আপনাকে বিভিন্ন এড দেখার জন্য পেমেন্ট করবে। কাজটি খুব সহজ তাদের ওয়েবসাইটে একাউন্ট করবেন তারপর এড এ ক্লিক করবেন। এসব ওয়েবসাইটে কাজ করতে হলে আপনাকে প্রতিদিন কাজ করতে হবে এবং এই সম্পূর্ন কাজ গুলোই আপনি আপনার মোবাইল দিয়ে করতে পারেন।

বর্তমানে এমন অনেক PTC সাইট আছে যারা অনেকের সাথে প্রতারণা করছে। তাই কোন সাইটে কাজ করার আগে তার রিভিউ দেখে নিবেন। বর্তমানে বহুল জনপ্রিয় PTC সাইট হলো Paidverts. যেখানে আপনি Invest করলে ভলো পরিমাণ আয়ের একটি সুযোগ রয়েছে।

 

১৫। ইনভেস্টমেন্ট সাইট থেকে আয়

 

আমরা সবাই ব্যাংকের মূলধনের উপর সুধ লাভ করার বিষয়টা জানি। কিন্তু ব্যাংকের থেকে সুধ লাভ করার জন্য দরকার ভালো অংকের মূলধন। অনলাইনে এমন কিছু সাইট আছে যেখানে আপনি অল্প পরিমান টাকা ইনভেস্ট করে কিছু সময় পর ২ কিংবা ৩ গুণ টাকা লাভ করতে পরবেন। কিন্তু কিছু কিছু সাইট প্রতারণা করে তাই আপনারা অবশ্যই ইনভেস্ট করার আগে সাইটের  কিছু ভিউ দেখে নিবেন।

বিখ্যাত ইনভেস্টমেন্ট সাইট হলো forsage, coin-farm ইত্যাদি।

 

১৬. বিভিন্ন অ্যাপস থেকে ইনকাম

আপনি ইচ্ছা করলে বিভিন্ন অ্যাপস থেকে অনলাইনে ইনকাম করতে পারবেন কিন্তুু এটা আমার মতে, দীর্ঘস্থায়ী ও স্মার্ট ইনকাম পদ্ধতি নয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে আমি আপনার জন্য এই পদ্ধতি রিকমেন্ড করব না।

যেহেতু আমাদের এই ওয়েব পোস্টটি অনলাইনে ইনকাম এর সমাধান করার উপায় সম্পর্কিত, সেই জন্যে কিছু অনলাইনে ইনকাম করার অ্যাপস নিয়ে আলোচনা করবো যেগুলো আপনি ব্যবহার করে অনলাইন হতে টাকা আয় করতে পারেন।

নিচের অনলাইনে ইনকাম করার অ্যাপস গুলি আমার কাছে বিশ্বস্ত মনে হয়েছে অনলাইনে ঘাটাঘাটি করে। তাই আমি আমার এই পোষ্টে অনলাইনে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য শেয়ার করলাম। তবে আপনি অনলাইনে খোঁজাখুঁজি করলে এরকম আরো অনেক অ্যাপ খুঁজে পাবেন যেগুলা থেকে সত্যি সত্যি ইনকাম করা যায়।

  • google opinion rewards
  • champ
  • meesho
  • conintiply
  • frapp
  • arapp
  • appbuks
  • loco
  • perk app

 

আরেকটা বিষয় হচ্ছে উপরে উল্লেখিত সকল অ্যাপস এর কাজ কিন্তু একই ধরনের নয়। অর্থাৎ এক এক ধরনের অ্যাপস থেকে একেক ধরনের কাজ করে আপনাকে অনলাইন হতে ইনকাম করতে হবে।