প্রায়ই হাতে ব্যথা হয়? জেনে নিন প্রতিকার

হাতের ব্যথা খুব সাধারণ একটি সমস্যা। হঠাৎ আঘাতে হাতের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের ব্যথা হতে পারে। মচকালে বা হাড় ভাঙলে ব্যথা তীব্র হয়। তবে অনেক দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার জন্য হাতে বা কবজিতে ব্যথা হতে পারে। যেহেতু অনেক কারণেই এই ব্যথা হতে পারে, তাই কখনো কখনো দীর্ঘমেয়াদি হাতের ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করা কঠিন।

 

Hand pain is a very common problem. A sudden injury can cause different types of pain in different parts of the hand. Pain is aggravated by sprains or broken bones. But many long-term problems can cause hand or wrist pain. Since there are many reasons for this pain, it is sometimes difficult to diagnose the exact cause of chronic hand pain.

 

হাতের ব্যথাকে আমরা সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। অ্যাকিউট পেইন ও ক্রনিক পেইন। হঠাৎ কোনো আঘাতে পাওয়া ব্যথাই হচ্ছে অ্যাকিউট পেইন। আর যে ব্যথা দীর্ঘদিন ধরে হয়ে আছে, তা ক্রনিক পেইন। হাতের ব্যথার বেশ কিছু কারণ রয়েছে। যেমন প্রদাহ, আঘাত, স্নায়ু নষ্ট হয়ে যাওয়া, দীর্ঘকালীন স্বাস্থ্যের সমস্যা, হাতের যেকোনো হাড় বা লিগামেন্ট মচকানো বা ভাঙার ফলে হাতে ব্যথা হতে পারে। আবার এমনও হতে পারে, হাতের ওপর ভর দিয়ে সামনের দিকে পড়ে গেলেও কবজিতে চোট লাগার ঘটনা ঘটে। এ ক্ষেত্রে কবজি মচকে যায়, কবজিতে টান পড়ে এবং কবজির হাড় ভেঙেও যেতে পারে।

 

হাতে কিভাবে এটি নির্ণয় করা হয় এবং এর চিকিৎসা কি? – How is it diagnosed and what is its treatment?

 

যথাযথ চিকিৎসার ইতিহাস গ্রহণ এবং উপযুক্ত পরীক্ষার সাহায্যে এই সমস্যার সম্ভাব্য নির্ণয় করা যেতে পারে। কিছু রক্ত পরীক্ষা ও রেডিওলজিকাল টেস্টের মাধ্যমে এর নিশ্চিত নির্ণয় সম্ভব। এই পরীক্ষাগুলি হল:

  • রক্ত পরীক্ষা: 
READ MORE:  প্রথম যৌন মিলন করার সময় করণীয় কি? What to do during the first sexual intercourse?

০ এরিথ্রোসাইট সেডিমেন্টেশন রেট (ইএসআর)

সহ কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি)

 ০ সি-রিআক্টিভ প্রােটিন। 

০ রিউমাটয়েড আথ্রাইটিস ফ্যাক্টর 

০ ভিটামিন ডি3 মাত্রা

০ ইউরিক এসিড মাত্রা

  • ক্ষতিগ্রস্থ হাতের কজির এক্স-রে
  • স্নায়ুর সমস্যা খুঁজতে কজির এমআরআই করা হয় হাতে ব্যাথার চিকিৎসা পদ্ধতি: হাতে ব্যাথার চিকিৎসা নির্ভর করে ব্যাথার কারণের উপর, তবে ফিজিক্যাল থেরাপির সাথে কিছু ওষুধের প্রয়ােগ ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। ব্যবহৃত চিকিৎসা প্রণালীগুলি হল:
  • ওষুধ – প্যারাসিটামল, এসিক্লোফেনাক, এবং আইবুপ্রফেন জাতীয় ওরাল এনালজেসিক (ব্যাথা কমানাের ওষুধ) ব্যাথার উপশমে ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • বরফের প্যাক – হাতে বরফ বা বরফের প্যাক

ব্যবহার ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে। • ফিজিক্যাল থেরাপি – উপযুক্ত ফিজিক্যাল থেরাপি

হাতে ব্যাথার উপশমে যথেষ্ট সাহায্য করতে পারে। • থেরাপিউটিক আন্ট্রাসাউন্ড নিউরােজেনিক (স্নায়ুজনিত) বা ঝিনঝিনে ব্যাথা কমাতে সাহায্য করে।