অস্টিওপরোসিস হবে যে অভ্যাসগুলো থাকলে

শরীরে খনিজ লবণ, বিশেষ করে ক্যালসিয়াম-এর ঘাটতির কারণে এ রোগটি হয়। মহিলাদের ঋতুস্রাব হওয়ার পর অস্থির ঘনত্ব ক্রমশ কমতে থাকে। তাই এই রোগটি পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। হাড়ের ভয়ঙ্কর রোগগুলোর মধ্যে বর্তমানে অস্টিওপোরোসিস সবচেয়ে বেশি নজরে পড়ে। এই রোগটির কারণে হাড়ের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে, হাড় ভঙ্গুর হয়ে যায়। ফলে হাড় ভাঙার ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। এ বার জেনে নেওয়া যাক আমাদের শরীরে কেন বাসা বাঁধে এই অস্টিওপোরোসিস। আমাদের কঙ্কাল আসলে আমাদের শরীরেরই কাঠামো। হাড়ের মাধ্যমে আমাদের শরীরের কাঠামো তৈরি হয়। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই হাড়ের যত্নের বিষয়ে খুবই উদাসীন বা এ বিষয়ে তেমন একটা গুরুত্ব দিতে চান না। ফলে আমাদের অজ্ঞতা এবং অবহেলার কারণে নিঃশব্দে আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে হাড়ের মারাত্মক সব রোগ!

 

 যে অভ্যাসগুলো থাকলে অস্টিওপরোসিস হবে তা জেনে নিন- 

 

অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার: লবণ বা সোডিয়াম ক্লোরাইড দেহ থেকে ক্যালসিয়াম বের করে দিয়ে হাড়কে দুর্বল করে দেয়। চিপস, বিভিন্ন ফাস্ট ফুড, কাঁচা খাবারে বা সালাদে মেশানো লবণ হাড়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এ ছাড়াও খাওয়ার সময় খাবারের পাতে বাড়তি লবণ খাওয়ার অভ্যাসও হাড়ের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর!

 

ক্যাফেইন: অতিরিক্ত মাত্রায় চা ও কফি খাওয়ার অভ্যাসও হাড়ের অকাল ক্ষয়ের জন্য দায়ী। একাধিক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে, কফিতে থাকা ক্যাফেইন হাড়ের অকালে ক্ষয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী।

 

অতিরিক্ত মাংস খাওয়া: মাংস হচ্ছে প্রাণীজ প্রোটিন। অতিরিক্ত মাংস মানেই অতিরিক্ত প্রোটিন। এই প্রোটিন শরীরে অতিরিক্ত অ্যাসিড তৈরি করে, যাকে নিস্ক্রিয় করতে ক্যালসিয়াম সক্রিয় ভাবে কাজ করে। অতিরিক্ত মাত্রায় প্রোটিন জাতিয় খাবার খাওয়ার ফলে হাড়ে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।

 

সফট ড্রিংকস বা নরম পানীয়: ছেলে-বুড়ো সকলেরই পছন্দের পানীয় সফট ড্রিংকস প্রতিনিয়ত হাড় ক্ষয় করে চলেছে। এই সব পানীয়তে রয়েছে ফসফরিক অ্যাসিড যা পস্রাবের মাধ্যমে দেহের ক্যালসিয়াম শরীর থেকে বের করে দেয়। ফলে হাড় অকালেই ক্ষয়ে যেতে থাকে।

READ MORE:  দ্রুত সময়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করুন ঘরোয়া পদ্ধতিতে!

 

তাই অস্টিওপরোসিস থেকে বাঁচতে চাইলে এই অভ্যাসগুলো আজই পরিত্যাগ করুন। মনে রাখবেন, সুস্থ দেহে সুন্দর মন।