গরুর ভুড়ি : হারাম খাচ্ছেন না তো?

Is it halal or haram?

 

বিভিন্ন বই পত্র ও ওয়েবসাইট ঘেটে জানা যায় পশুর রগ খাওয়া বা নাড়ি খাওয়া জায়েজ নয় যেমন মুরগির নাড়ি খাওয়া জায়েজ নয় আর মুরগীর ভুড়ি বলে কিছু নেই। কিন্তু গরু/মহিষ/ছাগল/ভেড়ার ভুড়ি রয়েছে তাই পরিস্কার করে খাওয়া জায়েজ।

 

وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته

 

بسم الله الرحمن الرحيم

 

It is halal

গরুর নাড়ি তথা রগ খাওয়া জায়েজ নয়। তবে ভুরি খাওয়া জায়েজ আছে। তবে ভুরির ভিতরে থাকা ময়লা পরিস্কার করে নেয়া আবশ্যক।

 

হালাল পশুর ৭টি অঙ্গ হারাম। যথা-

 

১- প্রবাহিত রক্ত।

 

২- নর প্রাণীর পুং লিঙ্গ।

 

৩- অন্ডকোষ।

 

৪- মাদী প্রাণীর স্ত্রী লিঙ্গ।

 

৫- মাংসগ্রন্থি।

 

৬- মুত্রথলি।

 

৭- পিত্ত।

 

এছাড়া বাকি সবই খাওয়া জায়েজ।

 

তথ্যসূত্র- ahlehaqmedia.com

 

About cow

 

وَأَمَّا بَيَانُ مَا يَحْرُمُ أَكْلُهُ مِنْ أَجْزَاءِ الْحَيَوَانِ الْمَأْكُولِ فَاَلَّذِي يَحْرُمُ أَكْلُهُ مِنْهُ سَبْعَةٌ: الدَّمُ الْمَسْفُوحُ، وَالذَّكَرُ، وَالْأُنْثَيَانِ، وَالْقُبُلُ، وَالْغُدَّةُ، وَالْمَثَانَةُ، وَالْمَرَارَةُ لِقَوْلِهِ عَزَّ شَأْنُهُ {وَيُحِلُّ لَهُمُ الطَّيِّبَاتِ وَيُحَرِّمُ عَلَيْهِمُ الْخَبَائِثَ} [الأعراف: 157] وَهَذِهِ الْأَشْيَاءُ السَّبْعَةُ مِمَّا تَسْتَخْبِثُهُ الطِّبَاعُ السَّلِيمَةُ فَكَانَتْ مُحَرَّمَةً. (بدائع الصنائع، كتاب التضحية، باب صفة التضحية، فَصْلٌ فِي بَيَانُ مَا يَحْرُمُ أَكْلُهُ مِنْ أَجْزَاءِ الْحَيَوَانِ الْمَأْكُولِ-5/61، وكذا فى الفتاوى الهندية-5/290، وفى رد المحتار، كتاب الأضحية)

 

الغُدَّةُ والغُددَةُ: كُلُّ عُقْدَةٍ فِي جَسَدِ الإِنسان أَطاف بِهَا شَحْم. والغُدَدُ: الَّتِي فِي اللَّحْمِ، (لسان العرب، فصل الغين المعجمة)

 

والله اعلم بالصواب

 

গরুর ভুড়ি খাওয়া সম্পর্কে একটি সমাধান দিয়েছেন মুফতি মুহাম্মদ আকমল (ম জি আ)

 

ভুড়ি খেলে গুনাহ হবেনা এমন ফতোয়া তিনি কিসের ভিত্তিতে দিলেন তা আজ জাবন

 

 

 

READ MORE:  ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা ২০২২, শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস, বাণী, মেসেজ

তিনি বলেন- নবী করিম (দ) কোন জবেহকৃত প্রাণীর ৭টি অংগ খেতে নিষেধ করেছেন। আর সে ৭টি অংগের মধ্যে ভুড়ির কথা উল্লেখ নাই।কিন্তু ফোকাহাগন দেখেছেন যে ৭টি অংগ খেতে নিষেধ করেছেন তার প্রত্যেকটির ভিতর ১টি বিষয় কমন তা হল সে অংগের সাথে কোন না কোন নাপাকির সাথে সম্পর্ক আছে। সে জন্য ফকিহগন এর উপর কিয়াস করে প্রাণীর ভুড়ি খেতেও নিষেধ করেছেন। ৭টি অংগ নবী করিম (দ) সরাসরি খেতে নিষেধ করেছেন। তবে সেখানে ভুড়ির উল্লেখ করেননি, আবার ভুড়িও কিন্তু নাপাকির সাথে সম্পর্কিত তাই ফোকাহাগন ভুড়ি খেতেও নিষেধ করেছেন।