সোনার এতো দাম কেন?

মানবসভ্যতার ইতিহাসে বিভিন্ন সময় সোনাকে দেখা হয়েছে শুদ্ধতার প্রতীক হিসেবে; সেই সাথে এটি সম্পদ-অর্থবিত্তের প্রতীকও বটে!

 

সবাই চায়, সামান্য পরিমাণ সোনা হলেও নিজের কাছে রাখতে। আবার অসুখে এর পানি শরীরে দেওয়াটাও এক রকমের কুসংস্কার বটে! দিনদিন বাজারে সোনার দামও হয়ে উঠেছে আকাশচুম্বী। সোনালিরঙা এই উজ্জ্বল ধাতুটির দাম কেন এত বেশি বা কেনই বা এর এত আবেদন। আসলে ‘সোনা’ ধাতুটির মধ্যেই রয়েছে এমন কিছু বস্তুর সংমিশ্রণ যা এটিকে বিরল বৈশিষ্ট্য এবং মুদ্রা হিসেবেও ব্যবহারযোগ্যতা দিয়েছে।

 

মূল্য নির্ভর করে যোগান বা supply ও চাহিদা বা demand র ওপর। সোনা ও প্লাটিনাম rare earth element বা বিরল ধাতু। Earth crust বা ভূত্বকে এই দুই ধাতুর পরিমাণ 0.005 ppm (parts per million). এক টন সোনার আকরিক থেকে বর্তমানে 0.004 – 0.005 গ্রাম সোনা পাওয়া যায়, আগে পাওয়া যেত 1 গ্রাম । সোনা মূলতঃ অলঙ্কার ব্যবহার হয়, জনসংখ্যার বৃদ্ধির সাথে সাথে খনিজ সোনার আকরিক র পরিমাণ কমে যাচ্ছে। প্লাটিনাম র পরিমাণও অনুরূপ। অলঙ্কার ছাড়া বিভিন্ন উৎপাদনে প্লাটিনাম অনুঘটক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, ইলেকট্রনিক্স, পেসমেকারে, উচ্চ তাপমাত্রার থার্মোমিটার যাকে পাইরোমিটার বলে সেখানে ব্যবহৃত হয়।

তাই সোনা এত মূল্যবান ধাতু। সোনার দাম তাই বাড়তি জনসংখ্যার সাথে দিন দিন বেড়েই চলেছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *