ঘরোয়া পদ্ধতিতে এয়ার কন্ডিশন ছাড়াও ঘর ঠান্ডা রাখুন

গরম থেকে বাঁচতে, ঘর ঠান্ডা রাখতে এয়ার কন্ডিশন বা এসি আধুনিক বিজ্ঞানের একটি অত্যাশ্চর্য আবিষ্কার। তবে অনেকেই এই এয়ার কন্ডিশনের সাথে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারে না। এয়ার কন্ডিশন বা এসির বাতাস অনেকের নিউমোনিয়ার মতো রোগেরও সৃষ্টি করে। আবার ঘরে এয়ার কন্ডিশন লাগানো একটি ব্যয়বহুল ব্যাপার। এয়ারকন্ডিশনের জন্য যে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল আসে অনেকের জন্য তা বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের আবার এসি কেনার মতো সামর্থ্য নেই। এসির পরিবর্তে গরম থেকে বাঁচতে, ঘর ঠান্ডা রাখতে তাদের জন্য রয়েছে কিছু কার্যকরী ঘরোয়া পদ্ধতি। পরিবেশ বান্ধব এসব পদ্ধতি অর্থ সাশ্রয়ীও বটে।

 

১. পরস্পর বিপরীত দিকের জানালা খোলা রাখা

 

 এটি ঘর ঠান্ডা রাখার কার্যকরী একটি পদ্ধতি। পরস্পর বিপরীত দিকের জানালা খোলা রাখলে ঘরের ভিতরে দুই দিক থেকে একই সাথে বাতাস প্রবেশ করবে যা দ্রুত ঘর ঠান্ডা করবে। 

 

২. জানালার সামনে গাছ লাগানো

 

ঠিক জানালা বরাবর গাছ লাগালে সরাসরি গাছ থেকে বাতাস ঘরে প্রবেশ করে ঘর ঠান্ডা করবে। আবার জানালার সামনে লাগানো গাছ রোদের তাপ থেকে ঘরকে রক্ষা করবে, ঘরে ছায়া দিবে। গাছ লাগানো সম্ভব না হলে জানালার সামনে টবের গাছ রাখা যেতে পারে। 

 

৩. জানালায় পর্দার ব্যবস্থা

 

ঘরে সরাসরি রোদ প্রবেশ করে যেসব দরজা, জানালা দিয়ে ওইসব দরজা-জানালায় তাপ প্রতিফলন করে এমন রঙের (সাদা বা হালকা) পর্দা লাগালে রোদের তাপ ঘরে প্রবেশ করে ঘরকে উত্তপ্ত করতে পারবে না। 

 

৪. যথাসম্ভব কম বাতি ব্যবহার করা

 

ঘরের মেইন লাইট জ্বালানোর পরিবর্তে পড়ার সময় বা টেবিলে কোন কাজে টেবিল ল্যাম্প  ব্যবহার করা যেতে পারে। 

 

৫. ফলস ছাদের ব্যবস্থা করা

 

ঘরের উপর দিকে তাপ যাতে সরাসরি ঘরে প্রবেশে বাধা পায় সে জন্য বাড়তি ছাদ বা ফলস ছাদের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। পরিবেশ বান্ধব ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং এর এসব ছাদ ঘরের তাপ নিয়ন্ত্রণ (ঠান্ডা রাখা) করার পাশাপাশি ঘরের সৌন্দর্য বর্ধনে ও কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

 

এছাড়াও রান্না করার সময় রান্নাঘরে এগজস্ট ফ্যান ব্যবহার করা উচিত যা রান্না করার সময় উৎপন্ন তাপ ঘরের বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে ঘরকে উত্তপ্ত হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং ঘরকে ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে।