ঘরে বসে আয় করুন মাসে ৫০ হাজার টাকা

পর্ব – ৪

ঘরে বসে আয় করুন> পূর্বের ব্লগে আমরা জেনেছি কীভাবে খুব সহজে ইংরেজিতে কপি পেস্ট করে লিখে ইনকাম করা যায়। তবে আজ আমরা জানবো আর ও আকর্ষণীয় কয়েকটি সাইট সম্পর্কে। যে সাইট গুলোতে আমরা আমাদের প্রডাক্টের ছবি ও লিংক প্রমোট করে মাসে ৩০-৪০ হাজার টাকা বসে ইনকাম করতে পরবো। তবে চলুন শুরু করা যাক,

 

আর ও পড়ুনঃ ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিং কি?

আর ও পড়ুনঃ অনলাইনে ইনকাম হালাল না হারাম?

 

(২) গ্রাফিক্স ডিজাইন

 

আমরা অনেকেই গ্রাফিক্স ডিজাইন শব্দটির সাথে পরিচিত। অনেকেই শব্দটির সাথে পরিচিত থাকতেও বিষয়টি পুরোপুরি অনুধাবন করতে পারিনা। তাদের জন্য  শুরুতে গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে সাধারণ ধারণা দিচ্ছি।  গ্রাফিক্স ডিজাইন হচ্ছে কোন কিছু ডিজাইন করা অর্থাৎ আপনি কোন লোগো ডিজাইন করুন, অথবা কোন ব্যানার, কার্টুন,  স্থির এনিমেটেড ছবি, ফেসবুক ইউটিউব এর কভার, কোন ছবির স্কেচ প্রভৃতি গ্রাফিক্স ডিজাইন এর অন্তর্গত। 

 গ্রাফিক্স ডিজাইনের সাধারণত দুটি ক্ষেত্রে দেখা যায়। একটি হচ্ছে আপনি কোন ক্লায়েন্টের সাথে সরাসরি তার চাহিদা অনুসারে কাজ করে দিবেন  এবং অপরটি হচ্ছে আপনার কৃত কাজটি কোন  নির্দিষ্ট মার্কেটপ্লেসে আপলোড করে সাজিয়ে রাখবেন আপনার ক্রেতারা তাদের পছন্দমত আপনার জিনিস কিনে নিয়ে আপনার নির্ধারিত পেমেন্ট করে যাবেন। ঘরে বসে আয় করুন

এখন চলুন দেখি  কোন সাইট বা মার্কেটপ্লেসগুলোর কিভাবে কাজ করে থাকে।

যেসব  মার্কেটপ্লেস গুলো সরাসরি ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ করে কাজ সম্পাদন করতে হয় সেগুলো দেখি,

 

  • Fiver.com
  • Upwork.com
  • Freelancer.com
  • Peopleperhour.com
  • 99designe.com
  • Guru.com

 

আর যেসব মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপনি আপনার নিজস্ব প্রোডাক্ট গুলো সাজিয়ে রাখবেন এবং ক্রেতাদের পছন্দমত ক্রয় করে নিয়ে যাবে। (এক্ষেত্রে আপনি আপানর মোবাইল বা ক্যামেরা দিয়ে তোলা সুন্দর ছবি গুলোও রাখতে পারেন)

সাইট গুলো হচ্ছে,

 

 

(৩) অনলাইন সার্ভে

 

যদি কোন দক্ষতা ছাড়াই কাজে নামতে চান তাহলে আপনার সবচেয়ে ভালো চয়েস হওয়া উচিত সার্ভে। কোন রকম দক্ষতা ও পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই সার্ভের কাজটি করা যায়।

 সার্ভে অর্থ হচ্ছে জরিপ। বিভিন্ন সময়ে বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের প্রোডাক্ট এবং বিভিন্ন সাপ্লাই সম্পর্কে মানুষের ফিডব্যাক বা অভিমত গুলো জানতে  চায়। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো সরকারি ভাবে ও আয়োজন করা হয়ে থাকে। সার্ভে করার  মূল লক্ষ্য হচ্ছে কোন প্রোডাক্ট বা সাপ্লাই মানুষের কেমন কাজে লাগছে এবং মানুষ পণ্য বা সাপ্লাই গুলো সম্পর্কে কি ভাবছেন সে সম্পর্কে জানা। কোম্পানিগুলো এসব সার্ভের রিপোর্ট গুলো পরিসংখ্যান হিসেবে কালেক্ট করে এবং তাদের  ব্যবসায় সেভাবে এপ্লাই করে থাকে। ঘরে বসে আয় করুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। তৃতীয় বিশ্বের দেশ হওয়ায় এখানে সার্ভে গুলো প্রথম বিশ্ব থেকে খুব একটা  নেওয়া হয় না। যার কারণে যে সকল ছোট ছোট  সার্ভে সাইট গুলো বাংলাদেশ এভেলেবল তা খুবই কম পরিমাণ এর মূল্য পরিশোধ করে থাকে। অনেক বহিঃবিশ্বে সার্ভে গুলো করলে সর্বোচ্চ ১ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত পাওয়া যায়।

এখন আসা যাক সার্ভের কাজ কি এবং বহিঃবিশ্বে সার্ভের কাজগুলো বাংলাদেশে বসে কিভাবে আমরা করব?

সার্ভের কাজ গুলো হচ্ছে তথ্য পূরণ করা। অর্থাৎ যেগুলো নানা রকম প্রশ্ন করে আপনার কাছ থেকে পণ্য বা সেবা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হবে। আপনার কাজ প্রশ্নগুলোর উত্তর  দিয়ে যাওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সার্ভে গুলোতে শুধু মাল্টিপল চয়েস কোশ্চেন অ্যানসারিং এর মাধ্যমে পূরণ হয়ে থাকে।  অর্থাৎ কোন বিষয়টি আপনার কাছে সঠিক মনে হচ্ছে তা টিক চিহ্ন দেওয়া।

 বাংলাদেশে যেহেতু আপনার নিজস্ব আইপি দিয়ে তেমন কোন সাইটে গিয়ে সার্ভে করা যায় না। তাই অনেকে USA বা Europe এর মানুষদের আইপি অ্যাড্রেস কিনে নেয় একটি নির্দিষ্ট টাইম এর জন্য সে আইপি অ্যাড্রেস দিয়ে ওই সব সার্ভে ওয়েবসাইটে গিয়ে সার্ভে করে থাকে। আসুন দেখে নেই এমন কয়েকটি সাইট যেগুলোতে বাইরের দেশ থেকে আইপি নিয়ে আপনিও মাসে ২০-৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন আজকে থেকেই।

https://www.surveyjunkie.com/

https://firefaucet.win/

 

(৪) এফিলিয়েট মার্কেটিং

 

আমরা অনেকেই  এফিলিয়েট শব্দটি শুনে থাকি। তবে পর্যাপ্ত সোর্স না থাকায় বিষয়টি আমরা সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারিনা।  এফিলিয়েট শব্দটির অর্থ হচ্ছে সহযোগিতা বা সম্পর্কযুক্ত।  আর এফিলিয়েট মার্কেটিং  হচ্ছে একজন সহযোগী হিসেবে কাজ করা। ঘরে বসে আয় করুন

 অর্থাৎ  বিষয়টি হচ্ছে এমন,  বর্তমানে অনেক ই-কমার্স সাইট চালু রয়েছে যেমন আমরা বলতে পারি অ্যামাজন, আলিবাবা বাংলাদেশে দারাজের  মতো প্রতিষ্ঠানগুলো। এদের কাজ হচ্ছে আপনাকে আপনার কাঙ্খিত  পণ্য খুব সহজে আপনার হাতের কাছে  যে ডিভাইসটি বা মোবাইল রয়েছে তার দ্বারা  অর্ডার  দিয়ে থাকেন।এখন এসব সাইটগুলো তাদের নিজস্ব সোর্স থেকে আপনার কাছে  পৌঁছে  থাকে। এর সাথে আপনি তাদের ক্রেতা এবং একই সাথে তাদের প্রোডাক্ট প্রোমোটারের কাজ করতে পারেন।  এর জন্য আপনাকে তাদের সাইটের একটি একাউন্ট খুলতে হয়। এবং তার পরবর্তী আপনার কাজ হচ্ছে তাদের সহযোগী হিসেবে তাদের প্রোডাক্ট গুলো আপনার নিজস্ব সোর্স থেকে অন্য মানুষদের কাছে ছড়িয়ে দেওয়া। এতে আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রতিটি প্রোডাক্টের  বিক্রির জন্য ওই নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট এর একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ  পারসেন্টেন্জ আপনি থাকবেন।

আরও পড়ুনঃ এফিলিয়েট মার্কেটিং এ প্রডাক্ট গুলো কোথায় শেয়ার করবো?

এফিলিয়েট মার্কেটিং এর সাইট গুলো,

 

আরও পড়ুনঃ