Qatar বিশ্বকাপ mascot : অজানা তথ্য

MASCOT । Football World Cup 2022। FIFA। Mascot। Qatar World Cup 2022। Football। Official Mascot Laeeb। La’eeb। LAEEB। LA’EEB। 2022। World Cup official mascot। 

 

কাতার বিশ্বকাপের ম্যাসকট লায়িব

 

ফিফা বিশ্বকাপের আয়োজন থেকে শুরু করে অংশগ্রহণকারী দল বিভিন্ন দল-খেলোয়াড়রাই থাকে ফুটবলপ্রেমীদের আকর্শণের কেন্দ্রবিন্দুতে। তবে ফুটবলের বিশ্বযজ্ঞে দর্শকদের আগ্রহ থাকে আরও একটি চরিত্রকে ঘিরে, সেটি হচ্ছে মাসকট। এখন পর্যন্ত ২১ বার বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হলেও প্রথম ৭টি আসরে কোনো মাসকট ব্যবহৃত হয়নি। ১৯৬৬ সালে ইংল্যান্ডে আয়োজিত বিশ্বকাপে সর্বপ্রথম কোনো মাসকটের সঙ্গে ফুটবল বিশ্বের সাক্ষাৎ হয়।

 

মাসকট মূলত বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশের একটি প্রতিচ্ছবি। এটি হতে পারে কোনো প্রাণী, হতে পারে কোনো মানুষ, আবার এমনকি হতে পারে আয়োজক দেশের জন্য সৌভাগ্যের কোনো প্রতীকও। রংবেরঙের সাজ এবং বেশভূষায় আবির্ভূত মাসকট নিজের প্রাণোচ্ছলতার মাধ্যমে বাস্তব এবং কাল্পনিক জগতের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি করে স্বাগতিক দেশের ঐতিহ্য, স্বকীয়তা থেকে শুরু করে অজানা অনেক কিছু বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে থাকে।

 

এ কারণে বর্তমান সময়ে যেকোনো খেলার বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক দেশের প্রতিনিধিস্বরূপ মাসকটের উপস্থিতি দেখা যায়। বিশ্বকাপ ফুটবলও তার ব্যতিক্রম না। ১৯৬৬ সালে প্রথমবার আবির্ভাবের পরই মাসকটের প্রচলন বেশ সাড়া জাগায়। এরপর থেকে প্রতিটি বিশ্বকাপেই ছিল মাসকটের সরব উপস্থিতি, যাদের দেখে দর্শক-সমর্থকরা নির্ভেজাল আনন্দ উপভোগ করে থাকে।

 

এখন পর্যন্ত ফিফা বিশ্বকাপে ১৪টি মাসকটের সঙ্গে ফুটবলপ্রেমীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। আসন্ন কাতার বিশ্বকাপেও তাদের সঙ্গী হবে আরেকটি চরিত্র, যার নাম লাইব। গত এপ্রিলে কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ ড্রয়ের দিনেই পৃথিবীবাসীর সামনে উন্মুক্ত করা হয়েছিল লাইবকে।

 

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের (Football World Cup 2022) ম্যাসকট হল ‘লে’ইব’। ফিফা এক বিবৃতিতে বলেছে, আমরা লায়িবকে ফিফার অফিশিয়াল মাস্কট হিসেবে আপনাদের সামনে উন্মোচন করতে পেরে আনন্দিত। লায়িব এমন একটি জায়গা থেকে এসেছে যা বর্ণনা করা অসম্ভব। আমরা সবাইকে এটির মতো ভাবতে অনুপ্রাণিত করছি।’

READ MORE:  FIFA বিশ্বকাপের অদ্ভূত বল

 

ফিফা আরও জানায়, ‘আমরা নিশ্চিত যে দর্শকরা লায়িবের দ্বারা অনুপ্রাণিত হবে। এবারের বিশ্বকাপে লায়িব সমর্থকদের মধ্যে দারুণ প্রভাব রাখবে।’

 

সংশ্লিষ্ট ম্যাসকট (World Cup official mascot) নিয়ে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করেছে ফিফা। যে ভিডিয়োর মাধ্যমে জানা যাচ্ছে, আরবি ভাষায় এই ‘লে’ইব’ শব্দের অর্থ ‘চূড়ান্ত দক্ষতাসম্পন্ন এক খেলোয়াড়’। ওই ভিডিয়ো থেকেই জানা গেল, ‘লে’ইব’ এমন এক গ্রহের বাসিন্দা যেখানে সব ম্যাসকটেরা থাকে। ওই ভিডিয়োতে আরও দেখা যাচ্ছে, উড়ে উড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এই নতুন ম্যাসকট। সে জানাচ্ছে, বহু বছরের চেষ্টার পর অবশেষে সে পৃথিবীর মানুষের কাছে আসতে পেরেছে।

 

ফিফার (FIFA) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “গোটা দুনিয়ার সমস্ত ফুটবলমোদীর সঙ্গে নিজের আনন্দ ভাগ করে নিতে আসছে লে’ইব”।

 

সাদা রঙের কাতারি পোশাক পরা এক তরুণের আদলে তৈরি করা হয়েছে লায়িবকে। তার সামনে বল ও তার পোশাকে কাতারি আঙ্গিকে নকশা।

 

২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবলের ম্যাসকটের নাম রাখা হয়েছে লায়িব। আরবি এ শব্দের মানে দারুণ দক্ষ খেলোয়াড়।সাদা রঙের কাতারি পোশাক পরা এক কিশোরের আদলে তৈরি করা হয়েছে লায়িবকে। তার সামনে বল ও তার পোশাকে কাতারি আঙ্গিকে নকশা।

 

লায়িবের গল্প হিসেবে বলা হয়েছে সাহসী ও প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর এ তরুণ আগের সবগুলো বিশ্বকাপ দেখেছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ও গুরুত্বপূর্ণ গোলে ভূমিকা রেখেছেন।

 

ড্র অনুষ্ঠানের আগে এক বিশেষ অ্যানিমেশন ফিল্মের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরা হয় লায়িবকে।

 

আয়োজকদের আশা লায়িব আসন্ন বিশ্বকাপকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।