জন্মনিয়ন্ত্রণ করার প্রাকৃতিক পদ্ধতি

Determining the exact time of sexual intercourse is important for birth control. Birth control can be done in many more ways by taking the pill. But natural birth control methods are very safe and enjoyable.

 

জন্মনিয়ন্ত্রণ করার জন্য স্ত্রী সহবাসের সঠিক সময় নির্ধারণ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পিল খেয়ে আরও নানা ভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু প্রাকৃতিক ভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি খুবই নিরাপদ এবং আনন্দদায়ক। 

 প্রাকৃতিক ভাবে জন্মনিয়ন্ত্রন করার জন্য আপনাকে জানতে হবে স্ত্রী সহবাসের নিরাপদ সময় কোনটি। 

 

স্ত্রী সহবাসের নিরাপদ সময় কিভাবে গণনা করবেন?

 

যে নারী ন্যাচারাল পদ্ধতি ব্যবহার করবেন অর্থাৎ প্রাকৃতিকভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ করতে চান, তাদের পূর্ববর্তী ছয় মাসের পিরিয়ড বা মাসিকের হিসাব রাখতে হবে। একবার মাসিক শুরু হওয়া থেকে পরবর্তী মাসিক শুরু হওয়া পর্যন্ত কত দিন ব্যবধান, এই হিসাব লিখে রাখতে পারলে গণনা সঠিকভাবে করতে পারবেন।

 

গত ছয় মাসের মাসিক চক্র থেকে বিয়োগ করে সহবাসের নিরাপদ দিনগুলো বের করতে পারেন সহজেই। সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত ব্যবধানের মাসিকচক্র থেকে ১৮ দিন এবং সবচেয়ে দীর্ঘ মাসিক চক্র থেকে ১১ দিন বিয়োগ করে এই হিসাব বের করা হয়।

 

নিরাপদ দিনগুলো কীভাবে হিসাব করবেন তার উদাহরণ

যদি কারো মাসিক চক্রের হিসাব ২৬ থেকে ৩০ দিন হয়, অর্থাৎ সর্বনিম্ন ২৬ দিন এবং সবচেয়ে দীর্ঘ মাসিক চক্র ৩০ দিন, তাহলে নিরাপদ দিনের হিসাবটা হবে এ রকম:

 

২৬-১৮ = ৮ এবং ৩০-১১= ১৯

 

এই হিসাব অনুযায়ী ওভুলেশনের সম্ভবনা মাসিকের ৮ম দিন থেকে ১৯ তম দিন পর্যন্ত। নারীদের মাসিক চক্রের এই সময়টা হচ্ছে ডেঞ্জার পিরিয়ড বা ফার্টাইল পিরিয়ড। এই সময়ে সহবাস করলে বাচ্চা হওয়ার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশি। যদি কেউ বাচ্চা নিতে না চায়, তাহলে এই সময়ে সহবাস বন্ধ, কনডোম ব্যবহার  কিংবা পিল ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

READ MORE:  বৃদ্ধ ব্যক্তিদের আতংক আলঝেইমার রোগ

 

প্রাকৃতিক এই নিয়মের সীমাবদ্ধতা

এই ন্যাচারাল পদ্ধতি সাধারণত তাদের জন্য প্রযোজ্য হয়, যাদের মাসিক নিয়মিত হয়। তাদের জন্য এই পদ্ধতি ফলপ্রসূ হবে না, যাদের মাসিয় নিয়মিত হয় না।

 

অনেক গবেষণা থেকে জানা যায়, এই পদ্ধতি প্রয়োগ করার ক্ষেত্রে ফেইলর রেট অনেক বেশি হয়ে থাকে। এমনকি ফেইলর রেট ১৪% দেখা গেছে।

 

 

আপনি যদি বাচ্চা নিতে না চান এবং মাসিক নিয়মিত হয়, তাহলে এই ন্যাচারাল পদ্ধতি প্রয়োগ করতে পারেন নির্ধিদায়।

 

বাচ্চা নেওয়ার জন্য কিভাবে সহবাস করবেন?

 

যারা বাচ্চা গ্রহণ করতে চান, তারা ঠিক উপরের নিয়মে হিসাব-নিকাশ করে ডেঞ্জার পিরিয়ডে সহবাস করবেন। এতে ফলাফল ভাল হওয়ার সম্ভবনা সবথেকে বেশি থাকে।

 

স্ত্রীর জরায়ুতে ‍ওভুলেশন হওয়ার পর ডিম্বাণু সাধারণত ২৪ ঘন্টা জীবত থাকে। আবার পরুষের শুক্রাণু ৩ থেকে ৫ দিন পর্যন্ত নারীর যোনিপথে জীবিত থাকতে পারে। তাই ডেঞ্জার পিরিয়ডে প্রতিদিন সহবাস করতে হবে, এমন ধারণা করা ভুল।

 

 

চিকিৎসকের পরামর্শ হচ্ছে, বাচ্চা নিতে চাইলে ডেঞ্জার পিরিয়ডে একদিন পর পর সহবাস করলেই চলবে।

 

শেষকথাঃ

 

আশা করি আমাদের লিখাটি আপনার দাম্পত্য জীবনের জন্য অনেক কাজে লাগবে। আপনার সংসারকে ভালোবাসার চাদরে মুড়িয়ে সাজাবেন। সুখী দাম্পত্য জীবন আপনারা তখনই করতে পারবেন যখন একে অন্যকে ভালোবাসবেন।