নতুন আতংক মাঙ্কি পক্স ভাইরাস

কী এই মাঙ্কি পক্স?

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি এক বিশেষ ধরনের বসন্ত। জলবসন্ত বা গুটিবসন্তের প্রতিকার থাকলেও এই ভাইরাস এতোই বিরল যে, এখনো পর্যন্ত এর নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসাপদ্ধতি জানা নেই চিকিৎসকদের।

 

মূলত পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার কিছু দেশে এই ভাইরাসের খোঁজ মেলে। তবে নাম ‘মাঙ্কি পক্স’ হলেও একাধিক বন্যপ্রাণির মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে। ২০১৮ সালে প্রথমবার যুক্তরাজ্যে এই ভাইরাসটি ধরা পড়ে। এর পরে মাত্র কয়েকবার এই ভাইরাসটি ধরা পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে দেশটির স্বাস্থ্য সংস্থা।

 

এই ভাইরাসের উপসর্গ কী কী?

 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তদের শরীরে প্রাথমিক উপসর্গের মধ্যে আছে- জ্বর, মাথা যন্ত্রণা, পিঠ ও গায়ে ব্যথার মতো লক্ষণ। এর থেকে হতে পারে কাঁপুনি ও ক্লান্তিও।

 

এর পাশাপাশি দেহের বিভিন্ন লসিকা গ্রন্থি ফুলে ওঠে। সঙ্গে ছোট ছোট ক্ষতচিহ্ন দেখা দিতে থাকে মুখে। ধীরে ধীরে পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে ক্ষত। বিশেষজ্ঞদের দাবি, আক্রান্ত ব্যক্তির আশপাশে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই ভাইরাস।

 

শ্বাসনালি, ক্ষত স্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে। এমনকি আক্রান্তের ব্যবহার করা পোশাক থেকেও ছড়ায় সংক্রমণ।

 

মাঙ্কি পক্স এর কোনো চিকিৎসা বা ভ্যাক্সিন এখনও আবিষ্কার হয় নি৷ আপাতত সাধারণ পক্সের ওষুধ দিয়েই এটির চিকিৎসা করা হচ্ছে।